- Advertisement -

ইসরায়েল-ফিলিস্তিন যুদ্ধে এখন পর্যন্ত নিহত ৪,২৬৯

ইসরায়েল-ফিলিস্তিন যুদ্ধে এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ৪,২৬৯ জন। ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া সংঘাতে এসব ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলি নিহত হন।

১৭ অক্টোবর সকালে ফিলিস্তিনি এবং ইসরায়েলি সরকারের সূত্র থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

ইসরায়েলি হামলায় ফিলিস্তিনের গাজায় এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ২,৮০৮ জন। নিহতদের মধ্যে ৮৫৩জন শিশু এবং ৯৩৬ জন নারী। তবে যুদ্ধে হতাহতের তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি। এছাড়া আহত হয়েছেন ১০ হাজার ৮৫০ জন।

পশ্চিম তীর এবং পূর্ব জেরুজালেমে নিহত হয়েছেন ৬১ ফিলিস্তিনি। নিহতদের মধ্যে ১৮জন শিশু এবং একজন নারী। এছাড়া আহত হয়েছেন ১,২৫০জন।

অপরদিকে ইসরায়েলে নিহত হয়েছেন ১৪,০০ জন। নিহতদের মধ্যে ৯৪৭ জন বেসামরিক নাগরিক, ২৯৯ জন সেনা এবং ৫৪ জন পুলিশ অফিসার। সেখানে কতজন নারী ও শিশু মারা গেছেন তা জানা যায়নি। এছাড়া আহত হয়েছেন ৪,১২১ জন।

অপরদিকে ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে মারা গেছেন ১২ জন। নিহতদের মধ্যে তিনজন বেসামরিক নাগরিক, চারজন লেবানিজ যোদ্ধা এবং পাঁচজন ফিলিস্তিনি যোদ্ধা।

জাতিসংঘের ত্রাণ ও কর্ম সংস্থা বলেছে, গাজায় মৃতদেহ রাখার জন্য পর্যাপ্ত বডি-ব্যাগ নেই।

এর আগে সোমবার ইসরায়েলি ও পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছিল যে সকাল ৯টা থেকে যুদ্ধবিরতি হবে। সেই সময় গাজা থেকে বিদেশিরা মিসরের রাফাহ ক্রসিং দিয়ে বের হতে পারবেন এবং গাজায় মানবিক ত্রাণ পৌঁছতে পারবে। তবে খবর প্রকাশের পর এমন তথ্য অস্বীকার করে ইসরায়েল।

চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাব ও বিদ্যুৎ সরবরাহের ঘাটতির কারণে গাজার হাসপাতালগুলো ‘কবরস্থানে’ পরিণত হয়েছে বলে জানিয়েছে মানবিক সহায়তা সংস্থা রেড ক্রস।

ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত নবম দিনে গড়িয়েছে। ইসরায়েলের অব্যাহত বিমান হামলায় কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে গাজা। এ যেন মৃত্যু আর আতঙ্কের উপত্যকা। আকাশে যুদ্ধবিমানের বিকট শব্দ। চারদিকে বিধ্বস্ত ভবনের ইট-পাথর।

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের সর্বাত্মক অবরোধ আরোপের কারণে হাসপাতালগুলোতে ফুরিয়ে আসছে জ্বালানি। আর মাত্র ২৪ ঘণ্টার মতো জ্বালানি মজুত আছে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, বিশ্ব সংস্থাটির মানবিক দফতরের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ‘জেনারটরের ব্যাপকআপ না থাকায় হাজার হাজার রোগীর জীবন চরম ঝুঁকির মুখে পড়তে যাচ্ছে।’

ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংসযজ্ঞ গাজায় সুপেয় পানি ও ত্রাণ সরবরাহ পাঠানোর সুযোগ করে দিতে এর আগে অনুরোধ জানিয়েছিল একাধিক ত্রাণ সংস্থা।

সূত্র : মিডল ইস্ট আই, আল-জাজিরা, বিবিসি

মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published.

প্রতিনিয়ত সি এন এন ঢাকার সর্বশেষ খবর মোবাইলে নোটিফিকেশন পেতে.. হ্যা বিস্তারিত