- Advertisement -

সৌদিতে নতুন নতুন কর্মী গেলেও কেন কমছে রেমিট্যান্স?

সৌদি আরবে গত কয়েক বছরে ১০ লাখের বেশি নতুন বাংলাদেশি কর্মী গেলেও কমেছে রেমিট্যান্স প্রবাহ। বেশি অর্থ পাওয়ায় ব্যাংকিং চ্যানেল বাদ দিয়ে হুন্ডিতে ঝুঁকছেন প্রবাসীরা। আগামী দিনে এই গতি আরও কমার শঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে সময়োপযোগী পদক্ষেপ ও প্রবাসীদের জন্য প্রণোদনার হার বাড়ানোসহ বিভিন্ন দাবির কথা তুলে ধরেন রেমিট্যান্স-যোদ্ধারা।
করোনা মহামারির সময় একটু স্থবির থাকলেও পরবর্তীকালে সর্বাধিক পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠিয়ে দেশের অর্থনীতির চাকা সমৃদ্ধ রেখেছেন প্রবাসীরা। তবে বর্তমানে বাংলাদেশে নিত্যপণ্যের মূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে পরিবারের খরচের জন্য টাকা পাঠাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন সৌদি প্রবাসীরা। অনেকে আবার বেশি টাকা পাওয়ায় বৈধ উপায়ের চেয়ে হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠাচ্ছেন স্বজনদের কাছে।

স্বাভাবিকভাবে এ কারণে রেমিট্যান্স প্রবাহ কম বলে মনে করছেন অনেকে। এ ছাড়া দেশটিতে বর্তমানে কর্মসংস্থানের বিপরীতে প্রবাসী কর্মীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় চাকরিতে বেতন-ভাতার পরিমাণে কিছুটা তারতম্য হয়েছে। অনেকাংশে ওভারটাইম কাজের সুযোগ না থাকায় বাড়তি আয় কমেছে প্রবাসীদের।

এর মধ্যেও প্রবাসীরা চেষ্টা করছেন বৈধ উপায়ে টাকা পাঠিয়ে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে। এ ক্ষেত্রে ব্যাংকে অর্থ উত্তোলনে স্বজনদের হয়রানি বন্ধসহ প্রণোদনার হার বাড়ানোর দাবি তাদের।

এক সৌদি প্রবাসী সময় সংবাদকে বলেন, ‘সৌদি আরবে কাজের যে পরিস্থিতি, তাতে কাজ করলেও কাঙ্ক্ষিত পারিশ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। তার ওপর বাংলাদেশে দ্রব্যমূলের যে ঊর্ধ্বগতি, তাতে তো পরিবার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তারপরও আমরা দেশে টাকা পাঠানোর চেষ্টা করছি। যতটুকু সম্ভব হয়, বৈধভাবেই পাঠানোর চেষ্টা করি।’

আরেক প্রবাসী বলেন, ‘আমাদের পরিবার ব্যাংকে গিয়ে বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হয়। আবার অনেকে আকামার মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে পারছেন না। এ বিষয়ে আমাদের দূতাবাসের গুরুত্ব দেয়া দরকার।’
বর্তমানে সৌদি আরবে প্রায় ২৮ লাখ প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মী রয়েছেন।
সুত্র : সময় টিভি

মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published.

প্রতিনিয়ত সি এন এন ঢাকার সর্বশেষ খবর মোবাইলে নোটিফিকেশন পেতে.. হ্যা বিস্তারিত