- Advertisement -

ঢাকা-জাপান সরাসরি ফ্লাইটের শুভ উদ্বোধন

 

সিএনএন ঢাকা ডেস্ক :
১৯৭৯ সালে জাপানের টোকিও রুটে ফ্লাইট চালু করেছিল রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী উড়োজাহাজ সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। ১৯৮১ সালে সাময়িক বিরতির পর ঢাকা-নারিতা রুটে প্রথম ফ্লাইট শুরু করে বিমান।

বিমান সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে বিমানের উদ্বোধনী ফ্লাইট বিজি-৩৩৬ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে জাপানের নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে যাত্রা করবে। নারিতায় পৌঁছাবে স্থানীয় সময় শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে। নারিতা থেকে প্রথম ফ্লাইট বিজি-৩৭৭ ওইদিন সকাল ১১টায় উড্ডয়ন করে শাহজালালে পৌঁছাবে ঢাকার স্থানীয় শনিবার সময় দুপুর ৩টায়। অত্যাধুনিক মডেলের বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনারের মাধ্যমে নারিতা ফ্লাইট পরিচালিত হবে।

উদ্বোধনী ফ্লাইট উপলক্ষ্যে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল-২ এ এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী। তিনি বলেন, জাতির পিতার হাতে গড়া বিমান দেশের এভিয়েশন শিল্পের পথ প্রদর্শক। ধীরে-ধীরে বিমানের সক্ষমতা আরও বেড়েছে। জাপানের সাথে আমাদের সম্পর্কের গুরুত্ব অনুধাবন করে প্রধানমন্ত্রী গত এপ্রিলে জাপান সফরের পর এই রুটে ফ্লাইট চালুর আগ্রহ জানান। এরই প্রেক্ষিতে এই রুটে আজ ফ্লাইট চালু হল। এর মাধ্যমে জাপান প্রবাসী বাংলাদেশিরা সহজেই যাতায়াত করতে পারবেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ারভাইস মার্শাল মো. মুফিদুর রহমান বলেন, বিমানের জন্য আজকে এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। আমাদের যাত্রা শুরু হওয়ার কথা ছিল ২০২০ সালে। কিন্তু জাপান সরকারের কোভিডের নিষেধাজ্ঞার কারণে এই রুটে ফ্লাইট শুরু করতে ৩টি বছর লেগে যায়৷ থার্ড টার্মিনালের কাজ শেষ হলে আমাদের সক্ষমতা আরও বাড়বে। সেই কাজেও জাপান জড়িত। আজকে জাপানে বিমান চলাচল শুরু হচ্ছে। জাপানের হানিতাতে বর্তমানে চাহিদা সবচেয়ে বেশি। আশা করছি, আগামী দিনেও এই রুটেও জাপান সরকার ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি দিবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত আইওয়ামা কিমিনরি। তিনি বলেন, আমি আজ খুবই উচ্ছ্বসিত এই দীর্ঘ অপেক্ষার পর জাপানে বিমানের ফ্লাইট চালু হওয়ায়। এই প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত সবাইকে আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই। প্রায় ১৭ বছর পর এই রুটে পুনরায় ফ্লাইট চালু হওয়ায় জাপান-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও উজ্জ্বীবিত হবে। বাংলাদেশে যে থার্ড টার্মিনাল নির্মাণাধীন আছে সেটিও জাপানের সহায়তায় নির্মিত হচ্ছে। আমি আশা করব আগামীদিনেও দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা ও সুসম্পর্ক অব্যাহত থাকবে।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া।  বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোকাম্মেল হোসেন, বিমান পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান মোস্তাফা কামাল উদ্দীন। এছাড়া, বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান রাহাত আনোয়ার প্রমুখ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

বাংলানিউজ২৪.কম

মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published.

প্রতিনিয়ত সি এন এন ঢাকার সর্বশেষ খবর মোবাইলে নোটিফিকেশন পেতে.. হ্যা বিস্তারিত